Showing posts with label নীতিকথার গল্প. Show all posts
Showing posts with label নীতিকথার গল্প. Show all posts

Sunday, 15 March 2015

ধূর্ত শেয়াল ও মরা হাঁতির গল্প

একটা জঙ্গলে একটা শেয়াল থাকতো, সে খুবই চালাক ছিল কিন্তু সে বুড়ো হয়ে যাওয়ার জন্য বেশি কাজ করতে পারতো না। কাজ বলতে তো একটাই, শিকার করে খাবার জোগাড় করা। শিকার  করতে না পারলে খাবার তো আর আপনা আপনি তার কাছে আসবে না। তাই বুড়ো হওয়া সত্তেও তাকে কোন রকমে নিজেকেই খাবার জোগাড় করতে হত। কোন কোন দিন খাবার জুটত আবার কোন দিন আধপেটা খেয়ে বা না খেয়ে থাকতে হতো। এভাবেই সেই বুড়ো শেয়ালের দিন কাটছিল। একদিন জঙ্গলে ঘুরতে

Sunday, 1 March 2015

কৃপন শেয়ালের গল্প

একবার এক সময়ের কথা, একটা জঙ্গলের পাশের একটা গ্রামে একটা শিকার থাকতো, তার বাড়িতে সে আর তার বৌ দুজনাতে থাকতো। সে একজন শিকারি ছিল, তাই শিকার করে সেইসব পশুপাখির মাংস বিক্রি করে, যে টাকা পয়সা পেতো তাই দিয়েই তার সংসার চলতো। শিকার করার জন্য কোন কোন দিন তাকে গভীর জঙ্গলের ভেতরেও যেতে হোত, আবার কখনো বা খুব সহযেই শিকার পেয়ে যেতো।

Thursday, 19 February 2015

বোকামির ফল

একবার একটা জলাসয়ে একটা কাচ্ছপ বাস করতো। তার নাম ছিল হান্দু। সে যে জলাশয়ে বাস করতো সেখানে সারা বছর জল থাকতো, তার জলও ছিল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। সেখানে অনেক মাছ ছিল, শেওলা, গগুলি সব ছিল। এগুলোকে খাবার জন্য বিভিন্ন পাখি বাইরে থেকে আসতো। সেখানে যে সব পাখি, হাঁস এসেছিল তাদের মধ্যে দুটি হাঁসের সাথে হাঁদুর খুব বন্ধুত্ব হয়েছিল, তাদের নাম ছিল রামু আর শ্যামু। তারা সেখানে বেশ ভালোই ছিল, একবার সেখানে বিরাট খরা দেখাদিল, বর্ষার সময় একফোটাও বৃষ্টি হলো না।

Wednesday, 18 February 2015

বুদ্ধিই বল

একদা এক মহিলা ছিল। সে একদিন তার ছেলেদের নিয়ে বাপের বাড়িতে যাচ্ছিল। তার পাপের বাড়ী
যাবার পথে গভির জঙ্গল পড়ে। আর সেই জঙ্গলে থাকে বাঘ, ভালুক, সিংহ, কত রকমের প্রানী। তারা চলছে আর চলছে। চলতে চলতে দুপুর গড়িয়ে গেল। এমন সময় একটা বাঘ হেলতে দুলতে তাদের দিকে এগিয়ে এলো।
মহিলা ভাবল এ বাঘের হাত থেকে তাদের আর রেহাই নেই। মানুষের গন্ধ পেয়েছে বাঘ, তাইতো রক্তের লোভে এগিয়ে আসছে।

Monday, 16 February 2015

সাপ, ইঁন্দুর ও নেউলের গল্প

একবার একটা গর্তে একটা ইঁন্দুর থাকত। একদিন একটা নেউল সেই গর্তের সামনে হাজির হলো, আর ঠিক সেই সময়েই সেখানে একটা সাপ এসে সেখানে হাজির হল। তারা দুজনেই ইঁন্দুরের সন্ধানে সেখানে এসেছিলো। কিন্তু সাপকে দেখেই নেউল আর সাপে লড়াই লেগে গেলো। তাদের আর কারোই ইঁন্দুর মারার কথা মনে রইল না। গর্তের ইঁন্দুর এদের যুদ্ধে ব্যস্ত দেখে তার গর্ত থেকে বেরিয়ে এলো! অমনি সাপ আর

Sunday, 15 February 2015

অতি লোভের পরিনাম

এক পাহাড়ের নিচে একটা জলাশয় ছিল, সবসময় জলে ভরে থাকতো সেটা। মাছে ভরে থাকত পুকুরটা।
মাছগুলি সঙ্গে থাকতো কিছু কাঁকড়া। বক, চিল সব এদিক - ওদিক ঘুরে বেড়াত মাছ ধরতো , কাঁকড়া ধরতো আর খেতো।

Monday, 9 February 2015

বিশ্বাসঘাতক নেকড়ে

একদা এক গ্রামে এক চাষী ছিল। তার নাম ছিল পাঁচু। পাঁচু ছিল বড়ই দয়ালু ছিল। কারো দুঃখ সে সহ্য করতে পারত না । কেউ বিপদে পড়লে, অমনি সে বাঁচাতে ছুটে যেত।
একদিন হয়েছে কি পাঁচু যখন ক্ষেতে বড় বস্তা নিয়ে আলু তুলতে যাচ্ছিল তখন সে হটাৎ দেখতে পেল পাশের বন থেকে একটা নেকড়ে ছুটতে ছুটতে তার পায়ে এসে পড়ল। অনেক কাকুতি মিনতি করে সে বলল - আমাকে বাঁচাও পাঁচুভাই, তিনটি শিকারী আমার পিছু নিয়েছে।
দয়ালু পাঁচু বললে - তাই তো কিন্তু তোমাকে বাঁচাই কি করে বলো তো?
নেকড়ে বললে – তোমার ঐ বস্তাটায় আমায় পুরে ওর মুখ বন্ধ করে দাও ।

Sunday, 8 February 2015

এক ব্যাঙ ও এক সিংহ

এক ছিল সিংহ। সে একদিন বনের মধ্যের এক ডোবার ধার দিয়ে যেতে যেতে শুনতে পেল “ টর টর ” শব্দ। মনে মনে সিংহটা ভাবল, কি আওয়াজরে বাবা! 
কার ডাক ?
 কেমন সে প্রাণী?
 জন্তুটা না জানি কত বড়?
 কতো ভয়ঙ্করই না সে?
সিংহ আবার মনে মনে বলল, আমি হলাম সিংহ কি সব যা

Saturday, 7 February 2015

আসম বন্ধুত্ব

এক শেয়াল আর এক কুমিরের খুবই বন্ধুত্ব ছিল। শেয়াল ছিল খুবই চালাক আর কুমির ছিল বোকার হদ্দ। এইনিয়ে নানা লোকে নানা কথা বলত , কুমিরের মনে রাগ হল সে ভাবল একবার আমি শেয়ালকে ঠকিয়ে দেখিয়ে দেব সাবাইকে আমি কিছু কম চালাক নই।
কুমির চালাকি করার জন্য একদিন শেয়ালকে বলল "বন্ধু শেয়াল চলভাই আমরা চাষ করি।"
শেয়াল রাজি হয়ে বলল চলল- " চাষ করবি ঠিক আছে, কিন্তু ভাই আমরা সমান সমান ভাগ করে নেব।"
কুমির বলল "আমি উপরের টা নেব আর তুই নিচেরটা নিবি।"
শেয়াল বলল "তা কি করে হয় যা হবে সমান সমান নেব উপর নিচ সমান সমান "
কুমির বলল " না আমি উপরের টা নেব তুই নিচের টা নিবি, তুই চিন্তা করিস না

Friday, 6 February 2015

নেপোই মারে দই

একবার একটা হরিনকে দখল নিয়ে একটা ভালুক ও এক সিংহের  মধ্যে লড়াই বাঁধে। লড়াই করতে করতে দু জনেই জখম হয়ে পড়ল এমনকি  তাদের নড়বার শক্তি পর্যন্ত রইল না, মৃতপ্রায় হয়ে তারা সেখানেই পড়ে রইল।

Monday, 25 August 2014

দুই বন্ধুর দেশ ভ্রমণ

দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় আসলো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো।

একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো।

Monday, 23 June 2014

ঈশপের অপ্রচলিত গল্প :একটি উইল

পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রিসে তাঁর গল্পের জন্য খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস বলেন, তিনি মিসরের ফারাও আমাসিসের সময়কার লোক। সামস দ্বীপে বাস। ওখানেই ইয়াডমন নামে এক নাগরিকের ক্রীতদাস ছিলেন তিনি। তবে অনেকের মতে, ঈশপ ছিলেন ওই ইয়াডমনের আত্মীয়। জন্মসূত্রে ঈশপ ছিলেন থ্রেসিয়ান বা ফ্রাইজিয়ান। শোনা যায়, ডেলফিয়ার এক মন্দির থেকে একটি বাটি চুরির অপরাধে ডেলফিয়াবাসী তাঁকে পাহাড়ের চূড়া থেকে ফেলে হত্যা করে। এরিস্টোফেনেসের মতে, মন্দিরের বাটিটি ঈশপের ঝোলার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়ে চোর অপবাদে তাঁকে হত্যা করা হয়। ঈশপ দেখতে ছিলেন কদাকার কিন্তু বুদ্ধিতে ছিলেন অপরাজেয়, রঙ্গরসে অদ্বিতীয়। তিনি অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আর তোতলামি করে শোনাতেন তাঁর শিক্ষাপ্রদ অমর কাহিনিগুলো।