Showing posts with label দুঃখের কাহিনী. Show all posts
Showing posts with label দুঃখের কাহিনী. Show all posts

Friday, 25 March 2016

সময়ের সমীকরন

লিখেছেন - -শুকনোপাতা

কাজ করতে করতে হাঁপিয়ে  উঠেছে নুমা,ইশ...!বাসা পা্ল্টানো যে কি ঝামেলার কাজ তার উপর এতো বছর এক জায়গায় সব কিছু সাজিয়ে রাখার পর আবার সব কিছু এলোমেলো করে গুছানো সোজা কথা না।কিন্তু কি আর করা?...বাস্তবতা তো আর তা বুঝবেনা,তাই কষ্ট করতেই হচ্ছে।
কম সময় না,প্রায় ১২বছর।বলতে গেলে বুঝজ্ঞান হওয়ার পর থেকেই শাজাহানপুরের সেই বাসাতেই বড় হয়েছে নুমা।স্কুল,কলেজ,ভার্সিটি সব ওখান থেকেই শুরু ছিল। বড় বোন ইমা আপুর বিয়ে,পাভেল ভাইয়ের বাইরে পড়তে যাওয়া,দাদীর মৃত্যু ওদের পরিবারের প্রায় উল্লেখযোগ্য অনেক ঘটনার সাথে জড়িয়ে আছে সেই বাড়ীটা।

Friday, 26 December 2014

বৃষ্টি পায়ে পায়ে Bristir paye paye

পাখির কিচিরমিচির শব্দে সকালের ঘুম ভাঙ্গে অধরার। শহরের ইট-পাথরের বড় বড় দালানকোঠার ভিড়ে সকালবেলা পাখির কিচিরমিচির শব্দ শোনা অনেকটা আকাশকুসুম কল্পনা করার মত একটা ব্যাপার। অধরার বাবা সরকারি চাকুরী করেন সেই সুবাদে সরকারি একটি দোতলা বাংলোতে থাকে অধরারা। বাসার চারপাশ গাছগাছালিতে পরিপূর্ণ। তাই ভোরবেলা পাখির কিচিরমিচির এখানে নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ঘুম থেকে উঠেই দক্ষিণের জানালাটা খুলে দেয় অধরা। ভোরের আলো আর শীতল বাতাস ছুঁয়ে যায় অধরাকে।

Tuesday, 23 December 2014

বুকের গভীরে কার যেন ডাক আসে

মনের সাথে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা দন্ধ করলো সত্য। একটু পরেই তার অসমাপ্ত জীবনের সমাপ্তি হবে। তাই মার কাছে শেষ চিঠিটা লিখতে বসলো সে। তার অসমাপ্ত জীবনের শেষ চিঠি।*****************************************************************************************************************************

জানো মা,

Saturday, 20 December 2014

রিনির দুঃস্বপ্ন

আজ শুক্রবার,আমি খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেশট্রেশ হয়েই আয়নার সামনে বসে গেলাম সাজুগুজু করার জন্য...।আজ আমার পালিয়ে করা বিয়ে...মানে একটু পর আমি পালাবো...।মায়ের কাছ থেকে গতো রাতে বান্ধবীর জন্মদিন বলে একটা শাড়ি নিয়ে রেখেছিলাম।সবাই লাল শাড়ি পরে বিয়ে করে কিন্তু আমি একটা সবুজ শাড়ি চেয়ে নিলাম মায়ের কাছ থেকে যেনো কোনো সন্দেহ না করে...।
সাজুগুজুতে আমার আবার হাত খুব পটু...মাঝে মাজেই বউ টউ সাজাই বিয়েতে তাই নিজের সাজতে খুব একটা দেরি হলো না...।ধুমধাম করে হালকা একটু সেজে চুলে বেলি ফুলের তোড়াটা গুঁজে দিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম মা’কে বলে...।ওর আবার বেলী খুব পছন্দ কিনা তাই...