Showing posts with label রাক্ষসের গল্প. Show all posts
Showing posts with label রাক্ষসের গল্প. Show all posts

Wednesday, 19 November 2014

রক্তখেকো [ ভয়ংকর এক রাক্ষসীর কাহিনী ]

এই মেয়েটা দেখার পরও যখন কালামের পছন্দ হইলোনা। তখন সবাই ধরে নিল এই জীবনে কালামের আর বিয়াই হইবোনা। গ্রামের সবাই কালামকে একটু-আধটু টিপ্পনিও কাটে। কিন্তু একদিন হঠাৎ করে সবাইকে অবাক করে দিয়ে কালাম বিয়ে করে ফেলল। যেমন তেমন মেয়ে নয়, এক অপরুপ সুন্দরী। গ্রামে কালামের বউ নিয়া ব্যাপক আলোচনা। কালামের বউয়ের আবার অনেক গুণ আছে। যেমন শশুর-শাশুরীর যত্ন, ভাল রান্না-বান্না, স্বামী সেবা আরও কত কি? বউ নিয়া কালামের দিন সুখেই কাটছিল।
এরমাঝে একদিন সকালে খবর বের হলো জমিরের ষাড় গরু দুইটির ঘাড়ভাঙ্গা অবস্থায় গোয়াইল ঘরে [গরু রাখার ঘর] পরে আছে। গ্রামের সবলোক জমিরের বাড়িতে হাজির। কেউ কেউ বলতে লাগল ভূত এসে ঘাড় ভেঙ্গে দিয়ে গেছে, কেউবা বলতে লাগল এটা রাক্ষসের ঘটনা। রাক্ষস এসে ঘাড় ভেঙ্গে রক্ত চুষে খেয়েছে। কেউ কেউ ঘটনাটাকে পাত্তা না দিয়ে বলছে ষাড়ে ষাড়ে লড়াই করে মারা গেছে। তাদের যুক্তিও ছিল - দুইটি ষাড়েরই শিং ভাঙ্গা। কিন্তু পরের দিন যখন একই ভাবে ফিরোজ চাচারও গরু মরে গেল। তখন সবার ভিতর একটা অজানা আশংকা সৃষ্টি হইলো।

Monday, 8 September 2014

গল্পটা একটা রাক্ষসের

অভিজিত স্যার জেনেটিক্স ক্লাস নিচ্ছেন। আমরা চুপ করে তার কথা শুনছি। হঠাৎ আমার চোখ ঘুরে গেল সীমার দিকে। সীমা ইশারায় কিছু একটা বলল। ওর ইশারার অর্থ আমি যা বের করলাম, ‘ক্লাস শেষ হউক, বাইরে আয়, তোর খবর আছে।’ এমন ইশারার কারন বুঝতে আমার বেশিক্ষন লাগল না। গতকাল তন্বীর সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি, তাই হয়তো সীমা ক্ষেপেছে। এটা অবশ্য নতুন কিছু না। তন্বীর প্রত্যেকটা কথা ভেঙানো, বিশ্রিভাবে ওর হাসি নকল করা, এককথায় ওকে বিরক্ত করতে আমার ভীষণ ভাল লাগে। এটা মনে করার কোন কারন নেই তন্বী আমাকে পছন্দ করে। সত্যি বলতে কি, আমার মধ্যে এমন কিছুই নেই যেটা দেখে কেউ আমাকে পছন্দ করতে পারে। উস্কো খুস্কো চুল, মুখ ভরা খোঁচা খোঁচা দাড়ি, পড়াশুনার ব্যাপারে ভীষণ উদাসীন, তাছাড়া সমস্ত চেহারায় আমার গুন্ডা গুন্ডা ভাব।

Wednesday, 3 September 2014

এক দাঁতের রাক্ষসের গল্প

রাক্ষস রাজ্যে আজ খুশির বন্যা বইছে। রাজ্যজুড়ে হুম, হাম, দুম, দাম শব্দ হচ্ছে। রাক্ষসরাজা মন্ত্রীকে ডাকলেন – মন্ত্রী?
- জি হুজুর।
- শব্দ এতো কম হচ্ছে কেন? শব্দ বাড়াতে হবে। তুমি শব্দের ব্যবস্থা করো।
- জি হুজুর। আমি এখনই যাচ্ছি। পুরো রাজ্য এবার টের পাবে, শব্দ কাকে বলে!
- ৬০০ বছর পর আমার একটা পুত্র হয়েছে, এটা কি আনন্দের সংবাদ নয়?

Wednesday, 2 July 2014

রাক্ষস আর রাখালের গল্প

এক দেশে এক রাখাল ছিল। সে খুব সহজ সরল আর প্রান চঞ্চল বালক ছিল। সে দেখতে সুন্দর আর বলবান ছিল। সারাদিন ভেড়া চড়াতো মাঠে আর অবসরে গান গাইত আর বাঁশি বাজাত। তার গান শুনে বনের পশুপাখিরাও মন মুগ্ধ হয়ে সে গান শুনতো। সেই দেশের সাবাই রাখালকে অনেক ভালোবাসতো। সে দেশে এক ভয়ংকর রাক্ষস ছিল। সে সাবাইকে কষ্ট দিত। কারো বাড়ীর ছাগল নিয়ে যেত, কারো বাড়ীর গরু নিয়ে যেত। মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলে মানুষকে নিয়ে যেত। কিন্তু সে রাখাল ছেলেকে সহ্য করতে পারতো না, কেননা গ্রামের সবাই রাক্ষসকে ভয় পেত কিন্তু রাখাল তাকে ভয় পেত না। আর এটা রাক্ষস কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলো না।
এক দিন সে শিকার করতে যাচ্ছিলো। তখন সে রাখাল ছেলের গান শুনতে পেল। রাখাল ছেলের গান শুনে সে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গেলো। সে রাখাল ছেলের গান আর বাঁশি বাজানো শুনে রাখাল ছেলেকে পছন্দ করে ফেললো। সে

Monday, 30 June 2014

রাজা ও রাজকন্যার গল্প

জয়নাব শান্তু
গল্পটি অনেক অনেক দিন আগেকার। তখন সোমগিরি  রাজ্যের রাজা ছিলেন ভীষণ পরাক্রমশালী। তার সাহস ও বিক্রমের কারণে আশেপাশের রাজ্যগুলো তার অধীনে চলে আসে। তার রাজ্য হয়ে ওঠে ভীষণ বড়। সম্পদে-ঐশ্বর্যে সেই রাজ্য ছিল পরিপূর্ণ।
এত ক্ষমতাধর হয়েও সোমগিরির রাজা ছিলেন ভীষণ দয়ালু। দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি তার ছিল অসীম ভালবাসা। প্রজাদের সুখ-দুঃখ আনন্দ-বেদনা নিয়েই তিনি সারাক্ষণ ভাবতেন। ফলে সেই রাজ্যের মানুষেরা ছিল খুব সুখি। কোনো কিছুর অভাব ছিল না তাদের। তারাও তাদের রাজাকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসতেন।