Showing posts with label ভূতের গল্প. Show all posts
Showing posts with label ভূতের গল্প. Show all posts

Friday, 27 February 2015

গল্পটা পুরা শোনা হল না ( ভূতের গল্প )

আমি তখন বর্ধমানের রাজ কলেজে পড়তাম, শনিবার ছিল ভেবেছিলাম দুপুরের মধ্যেই বাড়ি যাবার জন্য তৈরি হলাম কিন্তু এমন কিছু কাজ এসে পড়ল শেষ পর্যন্ত সন্ধের গাড়ি ছাড়া অন্য কোন উপাই থাকল না। সন্ধ্যা ছয়টার গাড়ি ধরতে এসে জানতে পারলাম গাড়ি ছাড়তে প্রায় একঘন্টা দেরি আছে। তাই কিছু সময় এদিক ওদিক ঘোরা ঘুরির পরে ওয়েটিং রুমের একটা কোনার দিকে গিয়ে বসে পড়লাম। শীতের সন্ধ্যা তাই স্টেশেন চত্তর ফাঁকাই ছিল। আমি যেখানে বসে ছিলাম সেখানে আরো তিনজন বসে ছিল, দুজন সতের আঠারো বছরের ছেলে আর তাদের পাশে বছর চল্লিশের একজন

Saturday, 21 February 2015

কদমতলীর কনে = ভূত নিয়ে একটি সত্য ঘটনা - satyi bhooter ghatana

যারা ভূতে বিশ্বাস করেন না, বা করতে চান না তাদেরকে আজকে একটা সত্য ঘটনা শুনাব-

আমি সবসময় ঢাকা থেকে রাত্রে বাড়িতে যায়। কারন ছুটি পাই কম আবার চিন্তা করি রাত্রে চলে গেলে পরদিন সকালটা বাসা থেকেই শুরু করা যাবে। ছাত্র অবস্থায় ক্লাস শেষ করেই রওনা হয়ে যেতাম। এখনও অফিস শেষ করেই সোজা মহাখালী – তারপর ময়মনসিংহ – হালুয়াঘাট। মোটামুটি ছয়ঘন্টা।

একদিন ক্লাস শেষ করে বাড়ী রওনা হলাম। আমাদের বাজারে যেতে যেতে রাত ১২ টা বেজে গেল। বাজারে গিয়ে দেখি সুবাস।আমার বাল্য বন্ধু। আমাকে দেখেই বলল আমরা তো প্রতিদিন রাত্রে কদমতলী আড্ডা মারি, তুই খেয়ে চলে আসিস

বাজারেই আমার বাসা। বাসায় গিয়ে আম্মার সাথে কথা বলতে বলতে খাওয়া শেষ করলাম।১টার দিকে বাজারে গিয়ে কাউকে না পেয়ে ভাবলাম সবাই হয়তো চলে গেছে। আমি দুইটা সিগারেট কিনে কদমতলী রওনা হলাম। বাজার থেকে কদমতলী সিকি কি.মি.।

Tuesday, 17 February 2015

শ্যামডাঙার মাঠ

বর্ধমান সদরঘাটে দামোদর নদ পার হয়ে রায়নার দিকে যাতে হলে গোরুর গাড়িই তখন ভরসা ছিলো । এ হল ষাট সত্তর বছর আগের কথা। একশো বছর আগে যে এখানকার পরিস্থিতি কি ছিল তা ভাবাই যায় না। রায়নার কাছে নাড়ুগ্রামে আমাদের পৈতৃক নিবাস । ছোটোবালায় সেখানেই এক প্রবীনের মুখে গল্পটা শুনেছিলাম। এই সমস্ত অঞ্চল ছিলো ঘন বনে জঙ্গলে ভরা । আর ছিল ভয়ঙ্কর সব ডাকাত ও ঠাঙাড়ের উপদ্রব । দিন মানেও তখন এইসব অঞ্চলে পথ চলা ছিল ভয়ের ব্যপার।
রায়না থানার দারোগা তখন ঘনশ্যাম ত্রিবেদি। অত্যন্ত দুঁদে দারোগা বলে তখন তাঁর নামে বাঘে গরুতে জল খেত। তা কোন এক শীতের রাতে ঘনশ্যামবাবু তাঁর অফিস ঘরে বসে কেস ফাইলের পাতা ওল্টাচ্ছলেন, এমন সময় একজন কনস্টেবল এসে তাঁকে সেলাম জানিয়ে ফিসফিস করে কী যান বলল।

Saturday, 14 February 2015

অস্থি বিসর্জন

ভগীরথপুরের হাবল চৌধরীর তখন অল্প বয়স। ব্যায়াম করা মজবুত শরীর । বড় বড় চোখ, টিকাল নাক আর পুরুষ্ঠ ঠোঁট। কুচ কুচে চুল উল্টিয়ে আচড়াত সে। ভয় কাকে বলে জানত না সে। একটি সাইকেল ছিল তার, আর এই সাইকেলের প্যাডেলে পা দিয়ে ঘুরে বেড়াত গাঁয়ের পথে। শখের মধ্যে ছিল নানান রকমের পায়রা পোষা,রেডিও আর কলের গান ছিল তার সঙ্গী। তার গানের গলাটি ছিল ভারি মিষ্টি, সাইকেল চালাতে চালাতে গান গাইত সে। সে শুরের মূর্ছলায় তার ভাইপো ভাইঝিরা আর বৌদিরা মুগ্ধ হয়ে তারিফ করত তার। সব সময় পরিস্কার জামা কাপড় পরত সে। বিকেল বেলা হলেই তাকে দেখা যেত ধবধবে সাদা কোঁচানো ধুতি আর গিলে করা পাঞ্জাবী পরে ছাদে উঠে পায়রার খাঁচা খুলে দিয়ে পায়রা ওড়াত।

Tuesday, 3 February 2015

লোডশেডিং ও একটি ভূতের গল্প

প্রায় একমাস ছুটি কাটিয়ে কলেজে পৌঁছাবার পর রাতেরবেলা আমাদের গল্প যেন আর ফুরাতেই চাইতোনা ! একেজনের পেটে কত কথা ! কার চুল কতো সে . মি বড় হলো এই ব্যপারে নিরীক্ষামূলক প্রতিবেদন উপস্থাপন থেকে শুরু করে ছুটিতে টিভিতে দেখে আসা বিজ্ঞাপনের মডেলদের অঙ্গভঙ্গি অনুকরণ- নানারকম আলোচনায় গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকি আমরা। সেবারও ব্যতিক্রম হয়নি , ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বের করে লকারে গুছিয়ে রাখতে রাখতে অনর্গল বকে যাচ্ছি। তখনই মৌসুমি ব্যাগ থেকে একটা কি যেন ক্রিমের টিউব বের করে আমাদের সবাইকে দেখিয়ে সেটার গুণকীর্তন করতে লাগলো , এইটা মাখলে নাকি

Monday, 2 February 2015

এই ঘটনাটা কুষ্টিয়ায় ঘটেছিল ৮০র দশকে

এই ঘটনাটা কুষ্টিয়ায় ঘটেছিল ৮০র দশকে ।
ঘটনাটা যার সাথে ঘটেছিল এটা তার মুখ থেকে শোনা । আমাদের ওখানে ১জন ভ্যান চালক ছিল, খুব সাস্থ্যবান আর সাহসী । ১দিন সে তার ফুফুর বাসায় বেড়াতে যায়, সেখান থেকে সে যখন চলে আসবে তখন প্রায় সন্ধ্যা, তার ফুফু বলল যে পিঠা বানাচ্ছে, খেয়ে যেতে । সে বলল দিয়ে দিতে, খেতে খেতে যাবে । গ্রামে কিছু কমন সংস্কার আছে, তেলে ভাজা কিছু বা মাছ এগুলো নিয়ে রাতে যাতায়াত করলে খারাপ কিছুর নজর পরে ।
তাই তার ফুফু বললেন যে নিয়ে যাওয়ার দরকার নেই, খেয়ে যেতে ।

Sunday, 1 February 2015

ওই বাড়িটায় সমস্যা আছে

আমাদের নানুবাড়ী হবিগঞ্জের একটি গ্রাম মোশাজান । একটা বাড়ি আছে আধা পাকা বাড়ি । গ্রামের সবার মতে ওই বাড়িটায় সমস্যা আছে । দিনের বেলায় গেলে গা ছমছম করে । ওই বাড়ির উঠানে গেলেই চারদিকের পরিবেশ অনেক নিরব হয়ে যায়... বাড়িটার বিবরণ দেই, দুইটা বাড়ি পাশাপাশি, সামনে উঠান, বাড়িটার পিছনদিকে একটা পুকুর এবং পুকুর ঘিরে ঝোপঝাড় ।
এই বাড়িতে একজন খুব ধার্মিক মানুষ থাকতেন উনার স্ত্রীসহ । উনাদের ছেলে মেয়ে শহরে থাকত । উনি মারা যাওয়ার পর ওদের বাড়িতে একটা বিরাট বড় সাপ দেখা যেত । সাপটা কারো ক্ষতি করত

Thursday, 11 December 2014

মাঝরাতের প্যাসেঞ্জার Majh rater passanger

রাস্তাটা এবড়োখেবড়ো ।
রিকশাওয়ালা উল্কার বেগে রিকশা চালানোর প্রতিজ্ঞা নিয়েছে সম্ভবত । সাজ্জাদ ঝাঁকুনি খেতে খেতে ভাবছিল বাড়ি পৌঁছানোর আগে গায়ের হাড়গোড় আস্ত থাকলে হয় !
রাত বাজে আড়াইটা । এত রাতে রিকশার প্রতিটা ঝাঁকুনি যে পরিমান বিকট শব্দ তৈরি করছে তা আর কিছুক্ষন চলতে থাকলে গাঁয়ের লোকজন ঘুম ভেঙ্গে উঠে আসবে লাঠি সোটা নিয়ে ।
এক পাশে ছোট একটা খাল অন্য পাশে ধানী জমি ।

Wednesday, 10 December 2014

অভিসপ্ত গাড়ি Avisapta Gari

তখন চলতে ছিল আষাঢ় মাস। আষাঢ় মাস ভ্রমনের জন্য মোটেও সুবিধার নয়। যখন তখন বৃষ্টির ফলে রাস্তা-ঘাট কাদায় সয়লাব হয়ে থাকে। তারপরও আমাকে যেতে হয়েছিল। কথা ছিল ভ্রমন সংঙ্গি হিসাবে আমার বাল্যবন্ধু ইমরান থাকবে। কিন্তু যাবার আগের দিন ইমরান আমাকে চৌধুরী সাহেবের বাড়ি যাবার বিস্তারিত ঠিকানাটা হাতে ধরিয়ে দিল। করুন গলায় বললো, দোস্ত প্লিজ তুই একা গিয়ে ঘুরে আয়। আমার অফিসের জরুরী কাজে আমাকে চট্রগ্রাম যেতে হবে। কণে তোর পছন্দ হলে পরের বার আমি আর তুই যাব।
ওর এমন অনায্য দাবী শুনে আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম।

একটি ভূতের গল্প Eti Ekti Bhooter Galpo

প্রায় একমাস ছুটি কাটিয়ে কলেজে পৌঁছাবার পর রাতেরবেলা আমাদের গল্প যেন আর ফুরাতেই চাইতোনা! একেজনের পেটে কত কথা! কার চুল কতো সে.মি বড় হলো এই ব্যপারে নিরীক্ষামূলক প্রতিবেদন উপস্থাপন থেকে শুরু করে ছুটিতে টিভিতে দেখে আসা বিজ্ঞাপনের মডেলদের অঙ্গভঙ্গি অনুকরণ- নানারকম আলোচনায় গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকি আমরা। সেবারও ব্যতিক্রম হয়নি, ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বের করে লকারে গুছিয়ে রাখতে রাখতে অনর্গল বকে যাচ্ছি। তখনই মৌসুমি ব্যাগ থেকে একটা কি যেন ক্রিমের টিউব বের করে আমাদের সবাইকে দেখিয়ে সেটার গুণকীর্তন করতে লাগলো, এইটা মাখলে নাকি একমাসের মধ্যে বিশিষ্ট অভিনেতা হাসান মাসুদও টম ক্রুজের মতো হয়ে যাবেন!  ওর কথা শুনে মাইকেল জ্যাকসনের জন্য মনটা হু হু করে কেঁদে উঠলো। আহারে বেচারা, খামোকাই বারবার প্লাস্টিক সার্জারি করতে গিয়ে মরলেন। তাম্মি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো এইরকম একটা

Wednesday, 19 November 2014

যতসব ভৌতিকতা ( সম্পূর্ণ )

সকাল থেকেই আমি মজিদ ভাইকে একটা বিশেষ উদ্দেশ্য খুঁজছি। লোকটির খুব মাছ ধরার নেশা। রাত-দুপুরে এখানে সেখানে মাছ ধরতে যায়। আমি একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম ভাই আপনার ভয় করেনা? সে বত্রিশ দাঁত বের করে বললো ভূতের কথা বলছো। আমিতো ভূত চাবাইয়া খাই। কিছুটা দৃষ্টিকটু তার দাঁতের দিকে আমার নজর পরলো দেখলাম দাঁত থেকে রক্ত বের হচ্ছে। কথার মাঝ খানে ওয়াক থু। থুথুর সাথে কিছুটা রক্তও বের হয়েছে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। আমারও আবার মাছ ধরার খুব সখ। তাই মজিদ ভাইয়ের সাথে আমার প্রচুর খাতির।

শেষ রাতের ট্রেন ( রহস্য রোমাঞ্চ ভৌতিক গল্প )

"এই চা গরম -চা গরম " - চিকন একটা গলায় চিৎকার করে চলেছে মিশকালো একটা লোক- হাতে এক বিশাল চায়ের ফ্লাক্স- চিল্লাতে চিল্লাতে রাজু সাহেবের সামনে মিনিট তিনেক ধরে ঘুর ঘুর করছে। যত বার রাজু সাহেবের সামনে যাচ্ছে ততবার রাজু সাহেব বিরক্ত হচ্ছেন- কিন্তু চা ওয়ালার কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। লাকসামের রেলস্টেশনের ওয়েটিং এ রাজু সাহেব আজ রাত্রের গুটি কয়েক যাত্রির মাঝে একজন। স্যুট বুট পড়া বলে রাজু সাহেবের দিকে বার বার এগিয়ে আসছে একের পর এক হকার।

আজরাইল ( রহস্য- রোমাঞ্চ-ভৌতিক গল্প)

ঘটনার শুরু আজ থেকে চার বছর আগে এক রাতে। আমি সিলেট এর ওসমানী মেডিকেল এ একটা সেমিনার শেষ করে নিজেই ড্রাইভ করে ফিরছিলাম ঢাকায়। সাধারণত আমার পাজেরো টা আমার খুব প্রিয় হওয়াতে আমি কাউকে ড্রাইভার রাখিনি। সেদিন ও আমি নিজেই চালিয়ে নিয়ে আসছিলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে। পথে খানিক টা ঘুম ঘুম ভাব আসলেও মন টা সতেজ ছিল- কারন সেই সেমিনারে আমি আমার গবেষনার জন্য পেয়েছি প্রচুর হাততালি।

কালো যাদু - একখন্ডে সমাপ্ত সম্পূর্ণ পিশাচ কাহিনী

‘সব কাজ সবার দ্বারা সম্ভব না।’, তীব্র আপত্তির সুরে বললেন আহসান সাহেব। আহসান সাহেব তপুর বড় চাচা। রাজশাহী শহরের একজন শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। রাজশাহী কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি পড়াশুনা করেছেন কিন্তু একটা বিষয় নিয়ে রীতিমত গবেষণা করেছেন আর সে বিষয়টা হল ব্লাক ম্যাজিক বা কালো যাদু। ব্লাক ম্যাজিকের উপর তিনি প্রচুর পড়াশুনা করেছেন, রাতের পর রাত কাটিয়েছেন শ্মশানঘাট আর কবরস্থানে। এমনকি হাতে কলমে ব্লাক ম্যাজিক শেখার জন্য তিনি বেশ কিছুদিন কাটিয়ে এসেছেন আফ্রিকায়,

ফোঁড়া ( রহস্য- রোমাঞ্চ- ভৌতিক গল্প )

অনেক ক্ষন ধরে সামনে বসা মানুষ টার দিকে তাকিয়ে আছেন ডঃ তাহসিনা। মাথাটা নিচু করে বসেই আছে সেই লোক। অনেকক্ষণ ধরে বসে থেকে থেকে শেষে বলতে শুরু করল-
"আমার যে সমস্যা সেটা হল আমার পেটে একটা ফোঁড়া ঊঠেছে।"
বলেই শুন্য দৃষ্টিতে ডঃ তাহসিনার দিকে তাকিয়ে থাকল। ডঃ তাহসিনা অনেক ভাল একজন সাইকায়াট্রিষ্ট। উনি এর আগে ও অনেক মেন্টাল রুগীকে ভাল করেছেন। কিন্তু আজকের এই রুগি এসে বসেছে তো বসেছে কথা বলার কোন নাম গন্ধ নাই।

জ্বিনদের জানাযায় - একটি সত্যি ঘটনা অবলম্বনে ছোট গল্প

হাসান বেগ একজন সরকারী কর্মকর্তা। ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের একজন পরিদর্শক। মাসিক মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে থানা স্বাস্থ্য অফিসে এসেছেন। মিটিং শুরু হতে হতে দুপুর পার হয়ে গেলো। হাসান সাহেব কর্মকর্তাদের আচরণে খুব বিরক্ত। সময় জ্ঞান নেই মনে মনে বিরবির করে বললো। আসলে হাসান সাহেবরই বা কি দোষ। থানা সদর থেকে প্রায় ২১ কি.মি. দূরে হাসান সাহেবের বাড়ি। যদিওবা বাসে সবটা রাস্তা যাওয়া যেতো তাহলও সমস্যা ছিলোনা। কিন্তু ৭ কি.মি. বাসে আর বাকিটা পথ সাইকেলে যেতে হবে।

আস্তিক - একখন্ডে সমাপ্ত সম্পূর্ণ পিশাচ কাহিনী

আমার নাম রহমান। জুয়েল রহমান। পেশায় ডাক্তার। থাকি ঢাকায়। আমি ভূত বিশ্বাস করি না। ভূত কেন আমিতো ঈশ্বরকেও বিশ্বাস করিনা। যে সময় মানুষ চাঁদে যাচ্ছে, মঙ্গলগ্রহ জয় করার প্রস্তুতি নিচ্ছে , সেই যুগে আমি ভূত নামক মানুষ সৃষ্ট একটা ভ্রান্ত ধারণাকে মনে ঠাঁই দিতে পারিনা। আমার বন্ধুরা আমকে নাস্তিক বলে। বলুক। আমার তাতে কিছু যায় আসে না। আমি আমার বিশ্বাসে অটল। কেউ টিটকারি দিয়ে আমকে আমার বিশ্বাস থেকে একটুও নড়াতে পারবেনা। আমি নাস্তিক। একজন নাস্তিক মানুষ।

Monday, 13 October 2014

মধ্যরাতে কঙ্কালের সাথে modhyrate konkaler sathe

স্টেশনের লোহার গেটটা এক ধাক্কায় খুলে দৌড় দিলাম টিকিট কাউন্টার এর দিকে । অনেক রাত হয়ে গেছে, ট্রেন পাব কিনা জানিনা । টিকিট কাউন্টারের সামনে যেয়ে হতাশ হতে হল আমকে । বন্ধ । কিন্তু কিছু করার নাই আমার, এইখানে অপেক্ষা করা ছাড়া। একটা টুল দেখে বসে পড়লাম সেখানে । আজকে সকালেই জয়দেবপুর এসেছি একটা ইন্টারভিউ দেয়ার জন্য । এম.বি.এ পাশ করেছি গতবছর । বহু জায়গায় ইন্টারভিউ দিয়েছি । কখনই কোন রিপ্লাই আসেনি ।

Saturday, 27 September 2014

আমার চাচাতো ভাই নিপুন

আমার চাচাতো ভাই নিপুনের সাথে আমার সম্পর্ক অন্য সব ভাইবোনদের চেয়ে ভালো।। নিপুনের পরীক্ষা শেষ হলে ও চলে আসতো আমাদের বাসায়।। আমার পরীক্ষা শেষ হলে আমি চলে যেতাম তাদের বাসায়।।

যাই হোক, আপনাদের আজকে একটা কাহিনী বলবো, আমার এবং নিপুনের সম্পর্কে।। যদিও ঘটনাটি আমাদের পুরো পরিবারের সাথেই ঘটেছিলো তবে ভুক্তভোগী ছিলাম আমিই বেশি।।

ডিসেম্বর মাস।। নিপুনের পরীক্ষা শেষ।। আমারও পরীক্ষা শেষ।। তবে নিপুনের ঢাকায় কিছু
কেনাকাটা বাকি ছিল তাই সে এবার ঢাকায় চলে আসে।। বিকেলের বাসে রওনা দেয়, আমাদের বাসায় এসে পৌঁছায় রাত ৯ টার দিকে।।

বাসায় ঢুকেই সে দৌড়ে বাথরুমে চলে যায়।। কাউকে কোনও কথার সুযোগ না দিয়ে।। আমি অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, তার পায়ের ফাঁক দিয়ে রক্ত পড়ছে।। কিন্তু কিছু জিজ্ঞেস করলাম না।।

Tuesday, 26 August 2014

কুমিল্লার লাকসামের ঘটনা

আমি নদী । গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি । গ্রামে খুব একটা যাওয়া হয় না । বাবা অনেক জোর করে ৩ বছর আগে একবার ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন গ্রামের বাড়িতে । ঢাকা থেকে লাকসাম কিন্তু বেশি দূরে না, অথচ পড়ালেখা আর ক্লাসের ঝামেলার কারণে এই অল্প দূরত্বই অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায় মাঝে মাঝে । যাই হোক, সেবার গ্রীষ্মের ছুটিতে বাবা, মা, আমি আর আমার ছোট ভাই জয় মিলে দাদা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম । বাবা গাড়ি চালাচ্ছিলেন ।