ঘড়িতে বাজে সাড়ে ১১টা। এই মুহুর্তে কিচেনে যাওয়া ঠিক হবে নাকি নিজের রুমে!চিন্তার বিষয়....!১টার মধ্যে দুপুরের খাবার টেবিলে দিতে হবে,আম্মা-আব্বা এই সময়ই খেতে বসেন,দেরি হলে তাদের জন্য অপেক্ষা করা কষ্টকর। আসলে এই বয়সে এসে অপেক্ষা করার ধৈর্য্য খুব একটা থাকে না। বাসার বাকিরা ঘড়ি ধরে ১টার মধ্যেই যে খেতে বসবে তা না,তবে তিনটার মধ্যেই সবার খাবার শেষ হয়ে যায়,সো...সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে কিচেনে যাবার সিদ্ধান্তই নিল মায়া। আসলে সকালের নাস্তার ঝামেলা শেষ করে ঘর গুলো গুছাতে গুছাতে ১১টা বেজে গেছে কখন টেরই পায়নি!শ্বশুড় কে চা দিয়ে ভেবেছিল নিজের ঘরে যেয়ে চা খেতে খেতে একটু বাসায় ফোন করবে,২দিন আগে আম্মুর সাথে কথা হয়েছিল আর হয়নি!গতকাল নাকি নানি এসেছেন বাসায়,তার সাথেও এখনো কথা হয়নি!
এই নতুন সাইটিতে আপনারা বাংলায় ভালো ভালো গল্প পাবেন bangla galpo, gopal varer galpo, nitikathar galpo, bhuter galpo,hasir galpo
Saturday, 1 August 2015
Thursday, 7 May 2015
অসামাজিক
চুপ করে আর কতক্ষন বসে থাকবে বুঝতে পারছে না নিলু!প্রায় ১ঘন্টা হয়ে আসল।এতক্ষন কি চুপ করে থাকা যায়?!!এতক্ষন কথা না বলে থাকাটা খুবই কষ্টকর। দম বন্ধ হয়ে আসছে মনে হয়!উফফ...!
পানি খাওয়া শেষ করে গ্লাসটা রাখার জন্য ডায়েনিং এ এসে যাওয়ার সময় একবার ড্রয়িং রুমের দিকে চোখ ফেরালো।সাঈদ এক মনে সোফায় বসে বই পড়ছে।
রাগে জ্বলতে লাগল নিলু,আশ্চর্য মানুষ!একটা মানুষ তার সাথে রাগ করে সকালের নাস্তা না করে কথা বন্ধ করে বসে আছে,অথচ তার কোন বিকার নাই!মনে হচ্ছে যেন এই বাসায় সে ছাড়া আর কেউ থাকে না,অদ্ভুদ!!এই রকম মানুষের সাথে কিভাবে সারা জীবন পাড় করবে নিলু সেটাই ভেবে কূল পেল না...!সরি বলা তো দূরের কথা,জনাবের চোখ ও এদিকে পড়ে না...!
পানি খাওয়া শেষ করে গ্লাসটা রাখার জন্য ডায়েনিং এ এসে যাওয়ার সময় একবার ড্রয়িং রুমের দিকে চোখ ফেরালো।সাঈদ এক মনে সোফায় বসে বই পড়ছে।
রাগে জ্বলতে লাগল নিলু,আশ্চর্য মানুষ!একটা মানুষ তার সাথে রাগ করে সকালের নাস্তা না করে কথা বন্ধ করে বসে আছে,অথচ তার কোন বিকার নাই!মনে হচ্ছে যেন এই বাসায় সে ছাড়া আর কেউ থাকে না,অদ্ভুদ!!এই রকম মানুষের সাথে কিভাবে সারা জীবন পাড় করবে নিলু সেটাই ভেবে কূল পেল না...!সরি বলা তো দূরের কথা,জনাবের চোখ ও এদিকে পড়ে না...!
Thursday, 2 April 2015
বীরবলের স্বর্গ যাত্রা
রাজা আকবর মোঘল সাম্রায্যের সব চেয়ে বড় রাজা ছিল। তিনি সবারই সুখ শান্তির কথা মাথায় রেখে তাদের ভালো রাখার চেষ্টা করতেন। তাঁর একজন মন্ত্রী ছিল, নাম বীরবল, সেছিল খুবই বুদ্ধিমান ও আকবরের খুবই বিশ্বস্থ পাত্র। বীরবলের বুদ্ধির কথা সকলেই জানতো তাই আকবরও তাঁকে একটু বেশিই ভালো বাসতেন। আর সেই কারনেই অনেক মন্ত্রী পাত্র মিত্র তাঁকে হিংসা করতো আর তাকে রাজার থেকে আলাদা করে দেবার চেষ্টা করতো। একবার এক মন্ত্রী বীরবলকে সরিয়ে দেবার জন্য আকবরের নাপিতের সাথে ফন্দি আটলো। রাজার একজন নাপিতের কাছেই সব খৌরকর্ম করতো। সেই নাপিত বীরবলকে একেবারে সহ্য করতে পারতো না তাই মন্ত্রী সাথে মিলে ফন্দি এটেছিল।
Sunday, 15 March 2015
ধূর্ত শেয়াল ও মরা হাঁতির গল্প
একটা জঙ্গলে একটা শেয়াল থাকতো, সে খুবই চালাক ছিল কিন্তু সে বুড়ো হয়ে যাওয়ার জন্য বেশি কাজ করতে পারতো না। কাজ বলতে তো একটাই, শিকার করে খাবার জোগাড় করা। শিকার করতে না পারলে খাবার তো আর আপনা আপনি তার কাছে আসবে না। তাই বুড়ো হওয়া সত্তেও তাকে কোন রকমে নিজেকেই খাবার জোগাড় করতে হত। কোন কোন দিন খাবার জুটত আবার কোন দিন আধপেটা খেয়ে বা না খেয়ে থাকতে হতো। এভাবেই সেই বুড়ো শেয়ালের দিন কাটছিল। একদিন জঙ্গলে ঘুরতে
Wednesday, 11 March 2015
প্রথম পুরস্কার
জীবনে সেই যা আমার পুরস্ককার লাভ – সেই প্রথম আর সেই শেষ। কিন্তু এ রকমটা যেন তোমাদের কারও কখনও না ঘটে।
ক্লাস টেন এ প্রমোশন পেয়েই মামাকে গিয়ে জানালাম।
টেন এ উঠেছিল! বলিস কিরে! মামা তো হতবাক। টেনে উঠলি? বাঃ!
এখনই বাঃ কি মামা? আসছে বছরে এনট্রান্স পরীক্ষা দেব, তা জানো?
বলিস কিরে! আমাদের বংশে কেউ যে কখনো এনট্রান্সের চৌকাঠ মাড়ায়নি। সাত জন্মে না। সাত পুরুষে নয়।
সাত পুরুষের খবর রাখি না, তবে তিন পুরুষের জানি। আমার মামা বাংলা পাঠশালায় পড়ুয়া, ছাত্রবৃত্ত পাশ। তারপর তিনি আর এগোন নি। নিজের ব্যবসা নিয়েই রয়েছে।
ক্লাস টেন এ প্রমোশন পেয়েই মামাকে গিয়ে জানালাম।
টেন এ উঠেছিল! বলিস কিরে! মামা তো হতবাক। টেনে উঠলি? বাঃ!
এখনই বাঃ কি মামা? আসছে বছরে এনট্রান্স পরীক্ষা দেব, তা জানো?
বলিস কিরে! আমাদের বংশে কেউ যে কখনো এনট্রান্সের চৌকাঠ মাড়ায়নি। সাত জন্মে না। সাত পুরুষে নয়।
সাত পুরুষের খবর রাখি না, তবে তিন পুরুষের জানি। আমার মামা বাংলা পাঠশালায় পড়ুয়া, ছাত্রবৃত্ত পাশ। তারপর তিনি আর এগোন নি। নিজের ব্যবসা নিয়েই রয়েছে।
Tuesday, 10 March 2015
মহাসংকটে পুরন্দর
পুরন্দরের আজ বড়ই দুর্দিন।
এমন ঘোর বিপদে সে বহুকাল পড়েনি। স্যান্যালবাবুদের ছোট ছেলে রাজুকে ভীমরুলের কামড় খাওয়াবার দোষটা পুরোপুরি তার ঘাড়ে বর্তেছে অথচ পুরন্দর ব্যপারটার মাথা মুন্ডু কিছুই জানত না। পরিকল্পনাটা পুরোটাই ধুরন্দরের।
হয়েছিল কি দ্বাদশবাড়ির জঙ্গলে কাঁচামিঠে আমের লোভে গিয়েছিলো দুভাইতে। ধুরন্ধরই লোভ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানেই একটা গাছের মগডালে পুঁটুলিতে বাঁধা কিছু সোনার গহনা পেয়েছিল তারা। বাড়িতে এনে পুরন্দরের স্কুল ব্যাগে লুকিয়ে রেখেছিল গহনাগুলো। বিকেলে অবশ্য দারোগা কাকু এসে নিয়ে গিয়েছিল পুঁটুলিটা। খবরটা বেশ চাউর হয়ে গিয়েছিল এলাকায়।
এমন ঘোর বিপদে সে বহুকাল পড়েনি। স্যান্যালবাবুদের ছোট ছেলে রাজুকে ভীমরুলের কামড় খাওয়াবার দোষটা পুরোপুরি তার ঘাড়ে বর্তেছে অথচ পুরন্দর ব্যপারটার মাথা মুন্ডু কিছুই জানত না। পরিকল্পনাটা পুরোটাই ধুরন্দরের।
হয়েছিল কি দ্বাদশবাড়ির জঙ্গলে কাঁচামিঠে আমের লোভে গিয়েছিলো দুভাইতে। ধুরন্ধরই লোভ দেখিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানেই একটা গাছের মগডালে পুঁটুলিতে বাঁধা কিছু সোনার গহনা পেয়েছিল তারা। বাড়িতে এনে পুরন্দরের স্কুল ব্যাগে লুকিয়ে রেখেছিল গহনাগুলো। বিকেলে অবশ্য দারোগা কাকু এসে নিয়ে গিয়েছিল পুঁটুলিটা। খবরটা বেশ চাউর হয়ে গিয়েছিল এলাকায়।
Friday, 6 March 2015
মধুসূদন মামার গল্প
একবার এক সময়ের কথা – একটা গ্রামে একটা বিধবা মহিলা বাস করতো, তার আর কেও ছিল না, ছিল একটা ছেলে তার বয়স আট বছর। মহিলাটির নাম ছিল কমলা আর তার ছেলের নাম ছিল বাদল। সেই মহিলা ছিলেন অত্যন্ত গরিব, ভিক্ষা করের তাদের দিন চলতো। তবুও তার ইচ্ছা ছিল তার ছেলেকে লেখাপড়া শেখাবে। তাদের গ্রামে কোন পাঠশালা ছিলো না, তাই তাকে পাশের গ্রামের পাঠশালায় ভর্তি করে দিয়েছিল।
Subscribe to:
Posts (Atom)





