আমি নদী । গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি । গ্রামে খুব একটা যাওয়া হয় না । বাবা অনেক জোর করে ৩ বছর আগে একবার ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন গ্রামের বাড়িতে । ঢাকা থেকে লাকসাম কিন্তু বেশি দূরে না, অথচ পড়ালেখা আর ক্লাসের ঝামেলার কারণে এই অল্প দূরত্বই অনেক বেশি হয়ে দাঁড়ায় মাঝে মাঝে । যাই হোক, সেবার গ্রীষ্মের ছুটিতে বাবা, মা, আমি আর আমার ছোট ভাই জয় মিলে দাদা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম । বাবা গাড়ি চালাচ্ছিলেন ।
এই নতুন সাইটিতে আপনারা বাংলায় ভালো ভালো গল্প পাবেন bangla galpo, gopal varer galpo, nitikathar galpo, bhuter galpo,hasir galpo
Tuesday, 26 August 2014
Monday, 25 August 2014
দুই বন্ধুর দেশ ভ্রমণ
দুই বন্ধু মিলে দেশ ভ্রমণে বের হলো। এদের একজন ছিল অন্ধ। হাঁটতে হাঁটতে ওরা এমন এক জায়গায় আসলো যেখানে রাতে খুব ঠান্ডা আর দিনে প্রচণ্ড গরম। দুই বন্ধু এক গাছের নীচে ঘুমিয়ে পড়লো। সকালে যে বন্ধু চোখে দেখতে পায়, সে খাবারের খোঁজে বের হলো। অন্ধ বন্ধুটি আশপাশে যা আছে তা ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতে লাগলো।
একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো।
একটি সাপ বরফে জমে অবশ হয়ে এক পাশে মরার মত শুয়ে ছিল। অন্ধ বন্ধুটি সাপটিকে ধরে ভাবলো এটি একটি লাঠি। সে খুব খুশী হয়ে সেটা হাতে নিল, ভাবলো পথ চলতে এটা তার অনেক কাজে লাগবে। মৃতপ্রায় সাপকে হাতে নিয়ে সে নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করলো।
Sunday, 24 August 2014
এক চুরির থেকে শিক্ষনীয় নীতি
ছোট বেলায় আমরা অনেকেই ইসপের গল্প পড়েছি যা আসলে ছিল নীতিকথা। এটা সেরকমি একটা গল্প যেটাতে বেশ কিছু নীতিকথা আছে।
একদল ডাকাত ব্যাংকে ঢুকল ডাকাতির জন্য। উপস্থিত গ্রাহক আর কর্মচারীরা বাধা দেবার চেষ্টা করল। ডাকাতেরা বলল " ভাইসব, টাকা গেলে সরকারের যাবে, আর প্রাণ গেলে যাবে আপনার। আপনারাই বুঝুন কোনটা বাঁচাবেন" - এই কথা শুনেসবাই বসে গেল। ডাকাতরা নির্বিঘ্নে টাকা নিয়ে গেল l
Sunday, 3 August 2014
দুঃখীকে সুখের সন্ধান দেয়ার এও একটা উপায়
এক লোকের বউয়ের সাথে খুব ঝগড়াঝাটি হতো। বঊটি ছিলো ভীষণ ঝগড়াটে।কোনদিন সে তার স্বামীকে সুখে থাকতে দিতো না।
একদিন সেই ভদ্রলোক কোন উপায় না দেখে কিছু পয়সা ও জামাকাপড় পোঁটলায় বেঁধে কোথাও চলে যাওয়ার জন্য মনস্থ করে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো।
নাসিরুদ্দিন সেই লোকটিকে মুখ ভার করে রাস্তার ধারে এমনভাবে বসে থাকতে দেখে প্রশ্ন করলেন, ' তোমার কী হয়েছে? কেন তুমি এমনভাবে রাস্তার ধারে বসে আছো?'
লোকটি বললো, 'জীবন একেবারে বিষের মত হয়ে গেছে আমার স্ত্রীর জন্য মোল্লা সাহেব! হাতে কিছু পয়সা আছে বটে কিন্তু মনে সুখ নেই। তাই দেশে দেশে ঘুরতে বেরিয়েছি। যেখানে কোন সুখের সন্ধান পাব, সেখানেই থেকে যাবো।'
একদিন সেই ভদ্রলোক কোন উপায় না দেখে কিছু পয়সা ও জামাকাপড় পোঁটলায় বেঁধে কোথাও চলে যাওয়ার জন্য মনস্থ করে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লো।
নাসিরুদ্দিন সেই লোকটিকে মুখ ভার করে রাস্তার ধারে এমনভাবে বসে থাকতে দেখে প্রশ্ন করলেন, ' তোমার কী হয়েছে? কেন তুমি এমনভাবে রাস্তার ধারে বসে আছো?'
লোকটি বললো, 'জীবন একেবারে বিষের মত হয়ে গেছে আমার স্ত্রীর জন্য মোল্লা সাহেব! হাতে কিছু পয়সা আছে বটে কিন্তু মনে সুখ নেই। তাই দেশে দেশে ঘুরতে বেরিয়েছি। যেখানে কোন সুখের সন্ধান পাব, সেখানেই থেকে যাবো।'
Thursday, 17 July 2014
ইলিশ মাছ রহস্য
গঙ্গার ধারে একদিন কথাপ্রসঙ্গে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র গোপালকে বললেন, আমাদের বাঙ্গালীর মধ্যে ইলিশ মাছ দেখলেই লোকে দাম জিজ্ঞাসা করে, এর কারণ কি? গোপাল উত্তর দিল, এটা বাঙ্গালীর স্বভাব মহারাজ। তবে আমি যদি ইলিশ মাছ নিয়ে বাড়ী ফিরি আমাকে কেউ দাম জিজ্ঞাসা করবে না। এ অসম্ভব, হতেই পারে না, লোকে দাম জিজ্ঞাসা করবেই! মহারাজ বললেন। গোপাল মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রকে বললে, আমি নদীর ধার থেকে হাতে করে বাড়ি পর্যন্ত ইলিশ মাছ নিয়ে যাব, আমায় কেউ একবারও দাম জিজ্ঞেস করবে না। আমি হলফ করে বলতে পারি পরখ করে দেখতে পারেন……….. মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র বললেন, তা অসম্ভব! লোকালয় দিয়ে ইলিশা মাছ হাতে করে নিয়ে গেলে কেউ না কেউ তোমায়দাম জিজ্ঞাসা করবেই না করে পারেই না। আমি আজ পর্যন্ত সবসময়ই দেখে আসছি এবং শুনেও আসছি। গোপাল আবার জোর গলায় বললে, ইলিশ নিয়ে আমি নদীর পাড় থেকে লোকের ভিড়ের মধ্য দিয়ে বাড়ি পর্যন্ত যাব, আমার কাছে একবাও কেউ দাম জিজ্ঞেস করবে না দেখতে পারেন।
Wednesday, 9 July 2014
মোল্লা নাসিরুদ্দিনের নেমন্তন্ন খাওয়া
পাড়ার একজন তাঁকে সুনজরে দেখতেন না। নাসিরুদ্দিন সকলের কাছেই প্রিয় ছিলেন কিন্তু হাবু সাহেবকে কেউ পছন্দ করতেন না, সেই কারণেই তিনি নাসিরুদ্দিনকে হিংসা করতেন ।
হাবু সাহেবের মেয়ের বিয়ে। পাড়ার সবাইকে নিমন্ত্রণ করেছেন তিনি কিন্তু নাসিরুদ্দিনকে করেন নি। নাসিরুদ্দিনও জেদ ধরলেন যেমন করে হোক নেমন্তন্ন খেতে হবে। মোল্লার বুদ্ধি বের করতে দেরি হল না।
একটা খামের ওপর লোকটির নাম লিখে তার ভেতরে এক টুকরো সাদা কাগজ ভরে খামখানার মুখ বন্ধ করে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হলেন মোল্লা। সকলে খেতে বসবে ঠিক সেই সময়েই উপস্থিত হয়ে বাড়ির মালিকের হাতে খামখানা দিয়ে বললেন, " বাদশাহ এই চিঠিখানা পাঠিয়েছেন।"
হাবু সাহেবের মেয়ের বিয়ে। পাড়ার সবাইকে নিমন্ত্রণ করেছেন তিনি কিন্তু নাসিরুদ্দিনকে করেন নি। নাসিরুদ্দিনও জেদ ধরলেন যেমন করে হোক নেমন্তন্ন খেতে হবে। মোল্লার বুদ্ধি বের করতে দেরি হল না।
একটা খামের ওপর লোকটির নাম লিখে তার ভেতরে এক টুকরো সাদা কাগজ ভরে খামখানার মুখ বন্ধ করে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হলেন মোল্লা। সকলে খেতে বসবে ঠিক সেই সময়েই উপস্থিত হয়ে বাড়ির মালিকের হাতে খামখানা দিয়ে বললেন, " বাদশাহ এই চিঠিখানা পাঠিয়েছেন।"
Monday, 7 July 2014
ভৌতিক গল্প :[ভূতুড়ে বাড়ির গল্প]
ধানমণ্ডি ৩২ নাম্বারে একটা বাড়ি রয়েছে।। এটা ১৯৫০ সালের দিকে তৈরি করা হয়।। বাড়িটা ২তলা বিল্ডিং এবং এটা একটু ভিতরের দিকে।। বাড়ির পিছনেই রয়েছে ধানমণ্ডি লেকের একটা অংশ।। ঘটনা যার কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তিনি জীবনের একটা বড় অংশ এই বাড়িতে কাটিয়েছেন।। তিনি ও তার ফ্যামিলি যখন এই বাড়িটাতে থাকতেন তখন প্রতিরাতে ১২ টার পর লেকের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে কারো পড়ার আওয়াজ পাওয়া যেতো।। তিনি/তারা আওয়াজ পাওয়ার পর শুধুই পানিতে ঢেউ দেখতেন কিন্তু আসে পাশে কাউকে দেখা যেতো না।। এটা প্রতি রাতেই ঘটত লেকের পানিতে।। এছাড়া বাড়ির মালিক একটা কুকুর
Sunday, 6 July 2014
এটাও একটা প্রেমের গল্প
আমি
সম্পাদক সাহেবের সামনে বসে আছি। আমাদের অফিসের তিন তলায়। জরুরি মিটিং হচ্ছে। এর
মধ্যে এই এসএমএস। আমি মোবাইল ফোনটা টেবিলের নিচে নামিয়ে সবার অগোচরে এসএমএস করি :
১০টা মিনিট বসো। আসতেছি। তারপর বেমালুম ভুলে যাই হিমেলের কথা। মিটিং থেকে বেরোই দেড়
ঘণ্টা পরে। রুমে এসে দেখি, হিমেল আশরাফ একটা চিরকুট রেখে গেছে আমার কম্পিউটারের কি-বোর্ডের
ওপরে। স্যার, আমি
আপনাদের ক্যান্টিনে।আমি ক্যান্টিনে যাই। বলি, একদম ভুলে গেছি হিমেল। স্যরি। আসো, চা খাই।স্যার, চা তো স্যার তিন কাপ খেয়ে
ফেললাম।ও। তাইলে আমি খাই। শোনো, কী বলবা বলো।স্যার, একটা গল্প পাইছি স্যার। আপনি লিখলে নাটক করতে পারি। আমি তো মিয়া নাটক লেখা ছেড়ে
দিছি। কী গল্প?
বলব?
বলো।
Subscribe to:
Posts (Atom)




