Sunday, 20 March 2016

শেষের কবিতার বাকী অংশ

লিখেছেন - শুকনোপাতা - misti bangla  / bengali golpo.

নির্ঝরের পথ চলা শুরু হয়েছিল অনেকটা একাই,তবে সাথে ছিল অনেক গুলো স্বপ্ন আর বিশ্বাস।মানুষ আসলে স্বপ্ন দেখতে অনেক বেশী ভালোবাসে...
আর নির্ঝর এমন একটা মেয়ে যে কি না সব সময় নিজের ভেতর তার স্বপ্নের একটা আলাদা পৃথিবী সাজিয়ে রাখতো,সেখানে সে কখনো অনেক আদরের মেয়ে,কখনো বা একটা স্বাধীন মানুষ,কখনো ভাবতো তার একটা বড় ভাই আছে যে তাকে অনেক আদর করে,কখনো ভাবতো তার একটা বড় আপু আছে যা তাকে খুব ভালোবাসে...যখনই মন খারাপ হতো নির্ঝর নিজের সেই স্বপ্নের ভূবনে হারিয়ে যেতো...স্বপ্ন গুলো কেন পূরন হলো না বা হয় না এ নিয়ে তার খুব একটা মাথা ব্যাথা নেই...

Thursday, 17 March 2016

আমি চাইনি বলেই কি দাওনি

লিখেছেন - -শুকনোপাতা - bangla / bengali misti golpo

ঈদ সামনে তাই শপিং মল গুলোতে ভীড় হবে এটাই স্বাভাবিক,কিন্তু তাই বলে এতো ভীড়...!উফফ...!খুবই বিরক্ত হচ্ছে রাশেদ,অনেক চেষ্টা করেও স্বাভাবিক থাকতে পারছেনা,এতো মানুষের ভীড়ের মধ্যে শপিং করতে আসার কি দরকার আছে?ঈদের শপিং না করে কি মানুষ ঈদ উদযাপন করে না?!হুহ...!

মিতু বুঝতে পারছে  রাশেদ একটু না প্রচন্ড  পরিমানে বিরক্ত হচ্ছে,কিন্তু সে তা দেখেও না দেখার ভান করে জিনিস কেনায় মনোযোগ দিচ্ছে।সে কি করবে?

Wednesday, 16 March 2016

সযত্নে - অভিমানে তাই সাজাই তোমারে

লিখেছেন -শুকনোপাতা  Bangla / bengali misti premer golpo ( sajatne )

প্রচন্ড রকমের অনিচ্ছা  নিয়েই ব্যাগ গোছাতে লাগল তনু। কোন মানে নাই এসবের...সে যতোই রাগ করুক,আর যতোই ঝগড়া করুক,তার এসব কাজকর্ম নিয়ে নুমানের কোন মাথা ব্যাথা নেই।যদি থাকতো তাহলে গত তিনদিন যাবত যে তনু এতো রাগ,চিৎকার করছে তা দেখা সত্ত্বেও নুমান গাড়ির টিকেট কেটে ওর সামনে এনে রাখতো না।

টিকেট দেখার পর তনু  আর কোন কথা বলল না,কিছুক্ষন টিকেটের দিকে তাকিয়ে থেকে কাবার্ড থেকে ল্যাগেজ বের করে জিনিস পত্র গোছাতে লাগল।

Tuesday, 15 March 2016

সাজাই আপন মায়ায়

লিখেছেন - শুকনোপাতা |

ঠাশ!করে ডাইনিং টেবিলে মগটা রাখলো তুবা...আরেকটু জোরে রাখলে শব্দটা মনে  হয় ঠাশ না হয়ে কাঁচে ভেঙ্গে খান খান হওয়ার শব্দ হতে  পারতো!
একটু দূরে ফ্রিজে অনেকদিন ধরে জমে থাকা মাছ বের করার চেষ্টায়  ব্যাস্ত তহুরা বেগম,শব্দ শুনে একবার মেয়ের দিকে তাকালেন,মেয়ে এখনো ঠায় দাঁড়িয়ে আছে,কিন্তু মেয়ে তার কাছ থেকে কেনো রেসপন্স আশা করছে?এ বাসায় কি তিনি ছাড়া আর কেউ নেই নাকি?!সবার সব রাগ তার সামনেই কেন প্রকাশ করতে হবে?!মা হয়েছেন বলে কি তার সব রাগ সহ্য করতে হবে?!বাপের সামনে সব গুলো ভাইবোন কি হাসি-খুশী থাকে,যতো রাগ-ক্ষোভ সব তার সামনেই...!

অজানা গন্তব্যে

লিখেছেন - শুকনোপাতা

ঘন্টা পার হয়ে যাচ্ছে,কিন্তু এখনো দেখা নেই,আশ্চর্য মানুষ!
সব সময় দেরি করেছে  বলে কি আজো দেরি করবে?!কোন মানে হয়...?!
নিতুর ইচ্ছে করছে চলে যেতে,কিন্তু পারছে না। হয়তো চলে আসবে এখনই,হয়তো জ্যামে পড়েছে...কি হয় একদিন একটু ওয়েট করলে? একটা দিনই তো...কথাটা মনে হতেই আপন মনে হেসে ফেলে নিতু। 'একটাদিন'... কখনো ভাবেনি এই 'একটাদিন' জীবনে আসবে,মন থেকে কোনদিন চায়ওনি কিন্তু কি আর করা! সব সময় সব কিছুতো আর চাওয়া অনুযায়ী হয়না।

Saturday, 1 August 2015

আপন আলোয় সুখ

ঘড়িতে বাজে সাড়ে ১১টা।  এই মুহুর্তে কিচেনে যাওয়া  ঠিক হবে নাকি নিজের রুমে!চিন্তার  বিষয়....!১টার মধ্যে দুপুরের  খাবার টেবিলে দিতে হবে,আম্মা-আব্বা এই সময়ই খেতে বসেন,দেরি হলে তাদের জন্য অপেক্ষা করা কষ্টকর। আসলে এই বয়সে এসে অপেক্ষা করার ধৈর্য্য খুব একটা থাকে না। বাসার বাকিরা ঘড়ি ধরে ১টার মধ্যেই যে খেতে বসবে তা না,তবে তিনটার মধ্যেই সবার খাবার শেষ হয়ে যায়,সো...সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে কিচেনে যাবার সিদ্ধান্তই নিল মায়া। আসলে সকালের নাস্তার ঝামেলা শেষ করে ঘর গুলো গুছাতে গুছাতে ১১টা বেজে গেছে কখন টেরই পায়নি!শ্বশুড় কে চা দিয়ে ভেবেছিল নিজের ঘরে যেয়ে চা খেতে খেতে একটু বাসায় ফোন করবে,২দিন আগে আম্মুর সাথে কথা হয়েছিল আর হয়নি!গতকাল নাকি নানি এসেছেন বাসায়,তার সাথেও এখনো কথা হয়নি!

কালো মানিক

সারা দিনের ক্লান্তি যেনো খুব বেশি করেই ভর করে  যখন চার তলার সিঁড়ি ভেঙ্গে উপরে উঠতে হয়! অনেক বার ভেবেছে,বাসাটা চেঞ্জ করে দোতালা কিংবা একতলাতে নিবে,কিন্তু নেয়া হয়নি আর...আজকাল ভালো বাসা খুঁজে পাওয়া অনেক কষ্টকর,তার উপর বাসা চেঞ্জ করাতো আরো কষ্টকর! প্রতিদিনের মতো আজো এসব ভাবতে ভাবতে ফ্ল্যাটে ফেরে নবনী।

Thursday, 7 May 2015

অসামাজিক

চুপ করে আর কতক্ষন বসে থাকবে বুঝতে পারছে  না নিলু!প্রায় ১ঘন্টা হয়ে  আসল।এতক্ষন কি চুপ করে থাকা যায়?!!এতক্ষন কথা না বলে থাকাটা খুবই কষ্টকর। দম বন্ধ হয়ে আসছে মনে হয়!উফফ...!

পানি খাওয়া শেষ  করে গ্লাসটা রাখার জন্য ডায়েনিং এ এসে যাওয়ার সময় একবার ড্রয়িং রুমের  দিকে চোখ ফেরালো।সাঈদ এক মনে সোফায় বসে বই পড়ছে।

রাগে জ্বলতে লাগল নিলু,আশ্চর্য মানুষ!একটা মানুষ তার সাথে রাগ করে সকালের নাস্তা না করে কথা বন্ধ করে বসে আছে,অথচ তার কোন বিকার নাই!মনে হচ্ছে যেন এই বাসায় সে ছাড়া আর কেউ থাকে না,অদ্ভুদ!!এই রকম মানুষের সাথে কিভাবে সারা জীবন পাড় করবে নিলু সেটাই ভেবে কূল পেল না...!সরি বলা তো দূরের কথা,জনাবের চোখ ও এদিকে পড়ে না...!