ছোটবেলা গোপাল ভাঁড় কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে গেলে বুড়োরা তাকে ক্ষেপাত আর হাসত, ‘গোপাল, এর পর তোমার পালা।’ শুনে গোপালের খুব রাগ হত। বুড়োদের কিভাবে জব্দ করা যায়, সেই পথ খুঁজতে লাগল এবং এক সময় পেয়ে গেল।
এই নতুন সাইটিতে আপনারা বাংলায় ভালো ভালো গল্প পাবেন bangla galpo, gopal varer galpo, nitikathar galpo, bhuter galpo,hasir galpo
Monday, 19 May 2014
ছায়াসঙ্গী ( Bhooter golp )
এই গল্পটি হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা একটি ভূতের গল্প ( Bhooter Golp )
প্রতি বছর শীতের ছুটির সময় ভাবি কিছুদিন গ্রামে কাটিয়ে আসব। দলবল নিয়ে যাব- হৈচৈ করা যাবে। আমার বাচ্চারা কখনও গ্রাম দেখেনি- তারা খুশি হবে। পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপি করতে পারবে। শাপলা ফুল শুধু যে মতিঝিলের সামনেই ফোটে না, অন্যান্য জায়গাতেও ফোটে তাও স্বচক্ষে দেখবে।
আমার বেশির ভাগ পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারি না। এটা কেমন করে জানি লেগে গেল। একদিন সত্যি সত্যি রওনা হলাম।
আমাদের গ্রামটাকে অজ পাড়াগাঁ বললেও সম্মান দেখানো হয়। যোগাযোগ-ব্যবস্থার এমন সুন্দর সময়েও সেখানে পৌঁছাতে হয় গরুর গাড়িতে। বর্ষার সময় নৌকা, তবে মাঝখানে একটা হাওর পড়ে বলে সেই যাত্রা অগস্ত্যযাত্রার মতো।
প্রতি বছর শীতের ছুটির সময় ভাবি কিছুদিন গ্রামে কাটিয়ে আসব। দলবল নিয়ে যাব- হৈচৈ করা যাবে। আমার বাচ্চারা কখনও গ্রাম দেখেনি- তারা খুশি হবে। পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপি করতে পারবে। শাপলা ফুল শুধু যে মতিঝিলের সামনেই ফোটে না, অন্যান্য জায়গাতেও ফোটে তাও স্বচক্ষে দেখবে।
আমার বেশির ভাগ পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগাতে পারি না। এটা কেমন করে জানি লেগে গেল। একদিন সত্যি সত্যি রওনা হলাম।
আমাদের গ্রামটাকে অজ পাড়াগাঁ বললেও সম্মান দেখানো হয়। যোগাযোগ-ব্যবস্থার এমন সুন্দর সময়েও সেখানে পৌঁছাতে হয় গরুর গাড়িতে। বর্ষার সময় নৌকা, তবে মাঝখানে একটা হাওর পড়ে বলে সেই যাত্রা অগস্ত্যযাত্রার মতো।
Saturday, 17 May 2014
পুরস্কারের বখরা
একবার মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র, সভাসদ ও আত্মীয়-স্বজন পরিবার বর্গ নিয়ে তাঁর বাগানবাড়িতে আনন্দ-ভোজের বন্দোবস্ত করেছিলেন। মহারাজের ইচ্ছায় সেখানে আজ সারাদিন আমোদ-প্রমোদ হবে। রাজা সকলকে নিয়ে খুব সকালেই যাত্রা করলেন। গোপালকেও সঙ্গে আসতে বলছিলেন, গোপাল বৌ-এর মুখের জন্য বাজার ক’রে না দিয়ে যেতে পারে না। যেদিন বাজার না করে দিয়ে যায়, সেদিন বাড়িতে খুব ওশান্তি হয়। একথা সোজাসুজি না বলে মজা করার জন্যে মহারাজকে বলল, ‘আমার একটু ইয়ে… কোন ব্যাপার নয়, আমি একটু পরে আসছি মহারাজ! আপনারা সব আগে যান। আমি পৌঁছাব সামান্য বিলম্বে। আমার জন্য আপনাদের চিন্তা-ভাবনা করতে হবে না।’ গোপাল সঙ্গে এলো না, এতে রাজা মনে মনে খুব রেগে
গোপাল ভাড় ও পাওনাদার
একবার গোপাল পাড়ার এক দোকান থেকে বাকি খেয়েছে। অনেক দিন হয়ে গেল দেনা সে শোধ করছে না। তখন মুদি রেগে মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে আরজি জানাল। পাঁচ টাকা দেনা ছিল সাত টাকার দাবিতা মুদি মহারাজের কাছে নালিশ করল। গোপাল রাজার তলব পেয়ে রাজসভায় গিয়ে বলল ‘সাত টাকা নয় হুজুর, পাঁচ টাকা দেনা, আমি ক্রমে আস্তে-আস্তে শোধ করব। আমায় দয়া করে কিস্তি-বন্দী করার হুকুম দিন।’ মহারাজের তাতে আপত্তি ছিল না। কিন্তু গোল বাধলো দেনার পরিমাণ নিয়ে। পাওনাদার বলে, সাত টাকা; দেনাদার বলে পাঁচ টাকা। অবশেষে মুদির খাতা তলব করা হলো। দেখা গেল- খাতা অনুসারে সাত টাকাই দেনা দাঁড়ায় বটে! গোপাল খাতার ভেতর লেখা ভালভাবে দেখে বলল ‘হুজুর! এই যে দেখুন, কত বড় জোচ্চুরি। যে-কদিন অড়র ডাল নিয়েছি, সেই কদিনই মুদি আমার নামে ঘি-ও লিখে রেখেছে। অথচ
Tuesday, 13 May 2014
ধনরত্ন পুরস্কার
গোপাল ভাঁড়ের এই গল্পটা আপনারা জানেন। রাজা বললেন, শীতের রাতে কেউ কি সারা রাত এই পুকুরে গলাপানিতে ডুবে থাকতে পারবে? যদি কেউ পারে, আমি তাকে অনেক টাকাপয়সা, ধনরত্ন পুরস্কার দেব। এক ছিল গরিব দুঃখী মানুষ। সে বলল, আমি পারব। সে মাঘ মাসের তীব্র শীতে সারা রাত পুকুরের পানিতে গলা ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ভোরের বেলা সে উঠল পানি থেকে। রাজার কাছে গিয়ে সে বলল,
রাজবৈদ্য নিয়োগ
রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের দরবারে রাজবৈদ্য নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশদেশান্তর থেকে চিকিত্সকেরা এলেন যোগ দিতে। গোপালকে রাজা দায়িত্ব দিলেন চিকিত্সক নির্বাচনের। গোপাল খুশিমনে বসলেন তাঁদের মেধা পরীক্ষায়। —আপনার চিকিত্সালয়ের আশপাশে ভূতের উপদ্রব আছে? —জি আছে। প্রচুর ভূত। ওদের অত্যাচারে ঠিকমতো চিকিত্সা পর্যন্ত করতে পারি না। দিন দিন ওদের সংখ্যা বাড়ছেই। এবার দ্বিতীয়
Sunday, 4 May 2014
বলদের মতো চারটা পা
গোপালের তখন বয়স হয়েছে। চোখে ভালো দেখতে পারে না। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র বললেন, কী গোপাল, গতকাল আসনি কেন? —আজ্ঞে চোখে সমস্যা হয়েছে। সবকিছু দুটো দেখি। কাল এসেছিলাম। এসে দেখি দুটো দরবার। কোনটায় ঢুকব, ভাবতে ভাবতেই…। —এ তো তোমার জন্য ভালোই হলো। তুমি বড়লোক হয়ে গেলে। আগে দেখতে তোমার একটা বলদ, এখন দেখবে দুটো বলদ। —ঠিকই বলেছেন মহারাজ। আগে দেখতাম আপনার দুটো পা, এখন দেখছি চারটা পা…ঠিক আমার বলদের মতোই!
Thursday, 1 May 2014
একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প : শ্রেষ্টাংশে এক রাখাল বালক আর এক রাজকন্যা
১.
এক দেশে ছিল এক রাখাল বালক। ছাগল চড়াইতে তাহার জুড়ি ছিল না। সেই দেশে ঘাসের আবার বড় আকাল। তালগাছ ছাড়া আর কোনো উদ্ভিদ কদাচিৎ চোখে পড়িত না। তাই রাখাল বালককে ছাগলের পাল নিয়ে হেথা সেথা ঘুরিয়া বেড়াইতে হইত।
একদিন ঘুরিতে ঘুরিতে রাখাল বালক রাজপ্রাসাদের নিকট আসিয়া পড়িল। রাজপ্রাসাদে বাস করিত এক সুন্দরী রাজকন্যা। রাজকন্যারও ছাগলপ্রীতি ছিল। কিন্তু এক সাথে রাখাল বালকের এত ছাগল দেখিয়া রাজকন্যা অভিভূত হইয়া পড়িল। রাখল বালক রাজপ্রাসাদের চারপাশ দিয়া হেলিয়া দুলিয়া ছাগল চড়াইতে লাগিল। ছাগল চড়াইতে রাখাল বালকের পটুত্ব দেখিয়া রাজকন্যা ছাগলের থুক্কু রাখাল বালকের প্রেমে পড়িয়া হাবুডুবু খাইতে লাগিল।
এক দেশে ছিল এক রাখাল বালক। ছাগল চড়াইতে তাহার জুড়ি ছিল না। সেই দেশে ঘাসের আবার বড় আকাল। তালগাছ ছাড়া আর কোনো উদ্ভিদ কদাচিৎ চোখে পড়িত না। তাই রাখাল বালককে ছাগলের পাল নিয়ে হেথা সেথা ঘুরিয়া বেড়াইতে হইত।
একদিন ঘুরিতে ঘুরিতে রাখাল বালক রাজপ্রাসাদের নিকট আসিয়া পড়িল। রাজপ্রাসাদে বাস করিত এক সুন্দরী রাজকন্যা। রাজকন্যারও ছাগলপ্রীতি ছিল। কিন্তু এক সাথে রাখাল বালকের এত ছাগল দেখিয়া রাজকন্যা অভিভূত হইয়া পড়িল। রাখল বালক রাজপ্রাসাদের চারপাশ দিয়া হেলিয়া দুলিয়া ছাগল চড়াইতে লাগিল। ছাগল চড়াইতে রাখাল বালকের পটুত্ব দেখিয়া রাজকন্যা ছাগলের থুক্কু রাখাল বালকের প্রেমে পড়িয়া হাবুডুবু খাইতে লাগিল।
Subscribe to:
Posts (Atom)